বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাকি। কিন্তু এখনো যে প্রশ্ন অনেকের মুখেই শোনা যাচ্ছে, তা হলো- নির্বাচনটি আসলে হবে তো?
নির্বাচন কমিশন বা ইসির ঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন হওয়ার কথা এবং আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ শেষে বৃহস্পতিবার থেকেই অংশগ্রহণকারী দল ও প্রার্থীদের পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা।
এর মধ্যেই আড্ডা-আলোচনা-কিংবা ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় ঘুরে ফিরেই অনেকে প্রশ্ন করছেন যে –’নির্বাচন আসলে হবে কি-না’। সংবাদকর্মীদের অনেককেই গত কয়েকদিন ধরে এ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে পরিচিত- অপরিচিত অনেকের কাছ থেকেই।
বিশ্লেষকরা কেউ কেউ বলছেন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে শুরু থেকেই যে ধরনের শৈথিল্য দেখা গেছে সেটি পুরোপুরি কাটেনি বলেই এ সংশয় জনমনে তৈরি হয়েছে।
আবার কেউ এটিকে পুরোপুরি ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও এর সমর্থকদের গুজব বা প্রোপাগান্ডা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আবার কেউ বলছেন, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচনী সহিংসতা হলে সেটিও নির্বাচন বানচালের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।
ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ বুধবার বলেছেন, “পতিত স্বৈরাচারের দোসররা দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে কনফিউশন (সংশয়) ছড়াতে ব্যস্ত রয়েছে”।
এর আগে সোমবার তিনি বলেছিলেন, “নির্ধারিত দিনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা খুব সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে”।

